প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

এসে গেছে গ্যালাক্সি এস ৯

এসে গেছে গ্যালাক্সি এস ৯



কেমন হবে এস ৯? প্রযুক্তি বিশ্বে
স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস সিরিজের
স্মার্টফোনটি নিয়ে গুঞ্জন চলছে এখনো। তবে
চীনা স্মার্টফোন নির্মাতারা বসে নেই। এস ৯-
এর যেসব ফিচার নিয়ে গুঞ্জন চলছে, সেগুলো
যুক্ত করে বাজারে এনেছে এস ৯-এর ক্লোন
ফোন।
বাজার বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, ২০১৮
সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্যালাক্সি এস
সিরিজে নতুন স্মার্টফোন বাজারে ছাড়বে
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি।
তবে স্মার্টফোনটি নিয়ে স্যামসাংয়ের পক্ষ
থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি।
এখনো স্মার্টফোনটি ঘিরে নানা গুঞ্জন
ছড়াচ্ছে। যে বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য
পাচ্ছে, সেগুলো ক্লোন ফোনে যুক্ত করে
ফেলছে চীনা নির্মাতারা। সাশ্রয়ী দামের
এই ক্লোন ফোনের বাজারে চাহিদা রয়েছে।
স্যামসাংয়ের আসল ফোন যাঁরা দামের
কারণে কিনতে পারেন না, তাঁরা এই ক্লোন
ফোনে আগ্রহ দেখান।
গ্যালাক্সি এস ৯-এর এমন এক ক্লোন তৈরি
করেছে চীনের ভিকেওয়ার্ল্ড নামের একটি
প্রতিষ্ঠান। সাশ্রয়ী দামের ওই ফোনে বড়
আকারের ব্যাটারি রাখার কথা বলেছে
প্রতিষ্ঠানটি।
ভিকেওয়ার্ল্ডের ক্লোন ফোনটিতে
বেজেলহীন ডিসপ্লে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট
স্ক্যানার, ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপের মতো
ফিচার রাখা হয়েছে। তবে এতে ব্যবহৃত হবে
হেলিও এক্স ৩০ চিপসেট, ৬ জিবি র্যাম, ১২৮
জিবি স্টোরেজ, পাঁচ হাজার
মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। এর দাম হবে ৩০০
মার্কিন ডলার। তথ্যসূত্র: বিজিআর,
ফোনএরেনা।

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৭

হ্যাকারদের নজর বিটকয়েনে

হ্যাকারদের নজর বিটকয়েনে

’এ বছরের শুরুতে প্রতিটি বিটকয়েনের দাম
ছিল এক হাজার ডলারেরও নিচে। বছর
শেষে এ সপ্তাহের শুরুতে এই ডিজিটাল
মুদ্রার দাম ওঠে রেকর্ড ১৯ হাজার ৫০০ ডলার।
গত সপ্তাহে বিটকয়েন নিয়ে এক
প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, এ
বছরের শুরু থেকে বিটকয়েনের দাম
বেড়েছে ১৭০০ শতাংশ। শুধু ডিসেম্বরেই
দাম বেড়েছে ৮০ শতাংশ। অনেকটা ঝড়ের
গতিতে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বিটকয়েন
কেন হ্যাকারদের লক্ষ্যবস্তু তা কারো
বুঝতে বাকি থাকার কথা নয়।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার হ্যাকিংয়ের শিকার হয়
দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্রিপ্টোকারেন্সি
এক্সচেঞ্জ ইউবিট। দ্বিতীয় দফা হ্যাকের
শিকার হওয়ায় নিজেদের কার্যক্রম গুটিয়ে
নিয়েছে প্রতিষ্ঠানিট। এ প্রতিষ্ঠানটি বিটকয়েন
ও অন্যান্য ডিজিটাল মুদ্রার বাণিজ্য করত।
ব্লুমবার্গ নিউজ জানায়, হ্যাকিংয়ের ঘটনায় এশিয়ার
বাজারে এক দিনেই ১৫ শতাংশ দর হারাল এই
ডিজিটাল মুদ্রা। গতকাল বুধবার টেকিওতে
বিটকয়েনের দাম কমে হয় ১৫ হাজার ৮১৫.৭৮
ডলার। যদিও মঙ্গলবার বিটকয়েনের দাম ছিল
১৮ হাজার ডলার।
তবে বিকেলে টোকিও এক্সচেঞ্জে
দাম কিছুটা বেড়ে হয় ১৬ হাজার ডলার।
এর আগে গত এপ্রিলেও হ্যাকিংয়ের শিকার
হয়েছিল ইউবিট। সে সময় প্রায় ৩৫ মিলিয়ন
ডলার সমমূল্যের চার হাজার বিটকয়েন চুরি হয়।
আট মাসের মাথায় আবারও এই ক্ষতির মুখে
পড়ে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা
করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তারা জানায়, হ্যাকের
কারণে তাদের ১৭ শতাংশ মূলধন খোয়া
গেছে। মঙ্গলবার হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়ার
পর থেকেই তারা বেচাকেনা বন্ধ
রেখেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে,
হ্যাকাররা তাদের সব বিটকয়েন চুরি করতে
পারেনি। কারণ কিছু বিটকয়েন নিরাপদে
সংরক্ষিত রাখা ছিল। ওই বিটকয়েনগুলো সাধারণত
লেনদেনের কাজে ব্যবহার করা হয় না। এই
চুরির জন্য উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের দায়ী
করা হচ্ছে।
এ মাসের শুরুতে হ্যাকাররা ডিজিটাল মুদ্রা
লেনদেনের প্ল্যাটফর্ম নাইচহ্যাশ থেকে
৭৫ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বিটকয়েন চুরি
করে নিয়ে যায়। বিটকয়েনের সংখ্যা ছিল চার
হাজার ৭০০। গত বছর হংকংভিত্তিক এক্সচেঞ্জ
বিটফিনেক্স সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়
হ্যাকাররা ৬০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিটকয়েন
নিয়ে যাওয়ার পর। এ ছাড়া গত বছর হ্যাকাররা
ইউরোপীয় এক্সচেঞ্জ বিটস্ট্যাম্পে
ঢুকে ১৯ হাজার বিটকয়েন নিয়ে যায়।
এদিকে বাজার কারসাজি হচ্ছে—এমন উদ্বেগ
থেকে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র তাদের
স্টকে বিটকয়েন সংশ্লিষ্ট লেনদেন বন্ধ
করে দেয়।
বিটকয়েন কেন চুরি হচ্ছে এ নিয়ে সাইবার
নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্রাউডস্ট্রাইকের সিইও
জর্জ কার্টজ সিএনবিসিকে বলেন,
বিটকয়েনে যেসব কম্পানি লেনদেন
করে তাদের সতর্ক হতে হবে। কারণ
উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা চুরি করে বিটকয়েন
জমা করছে। তিনি বলেন, এ মুদ্রা
লেনদেনে পরিচয় জানা যায় না,
যেকোনো নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে
লেনদেন করা যায়। এ ছাড়া এর দামও
নাটকীয়ভাবে বাড়ছে। ফলে উত্তর
কোরিয়ার জন্য এটি একটি চমৎকার মুদ্রা।
অনলাইনে ডলার-পাউন্ড-ইউরোর পাশাপাশি
কেনাকাটা করা যায় ক্রিপ্টোকারেন্সি
বিটকয়েনে। তবে অন্যান্য মুদ্রাব্যবস্থায়
যেমন সে দেশের সরকার ও
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জড়িত থাকে,
বিটকয়েনের ক্ষেত্রে তা নয়। ২০০৯
সালে সাতোশি নাকামোতো ছদ্মনামের
কেউ কিংবা একদল সফটওয়্যার ডেভেলপার
নতুন ধরনের ভার্চুয়াল মুদ্রার প্রচলন করে।
এ ধরনের মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সি নামে
পরিচিতি পায়। নাকামোতোর উদ্ভাবিত সেই
ক্রিপ্টোকারেন্সির নাম দেওয়া হয়
বিটকয়েন।
বিটকয়েন লেনদেনে কোনো
ব্যাংকিংব্যবস্থা নেই। ইলেকট্রনিক মাধ্যমে
অনলাইনে দুজন ব্যবহারকারীর মধ্যে সরাসরি
(পিয়ার-টু-পিয়ার) আদান-প্রদান হয়।
লেনদেনের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হয়
ক্রিপ্টোগ্রাফি নামের পদ্ধতি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিটকয়েন আলোচনায়
আসার কারণ মূল্যস্ফীতি। বিটকয়েনে যারা
বিনিয়োগ করেছিল, হঠাৎই তাদের সম্পদ
বেড়েছে কয়েক শ গুণ। কিন্তু বিটকয়েন
কেন জনপ্রিয় হচ্ছে? নিজের পরিচয় প্রকাশ
না করেই এতে লেনদেন করা যায়।
অন্যদিকে লেনদেনের ব্যয় খুব কম।
তবে সবচেয়ে বড় কারণ হলো
বিটকয়েনে বিনিয়োগ করলে কয়েক গুণ
লাভ হবে—এমন একটা ধারণা অনেকের
মধ্যেই আছে।
এখনো অনেক দেশে মুদ্রা হিসেবে
স্বীকৃতি না পেলেও দ্রুত জনপ্রিয়তা
পাচ্ছে বিটকয়েন। ফলে অনেক দেশের
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিটকয়েনের জন্য
নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ
মাসে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় এক্সচেঞ্জ
প্ল্যাটফর্ম বিটকয়েন লেনদেন শুরু করে।
এ ছাড়া এতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও
আগ্রহী হয়ে উঠছে। ফলে বিটকয়েন
আগামী দিনের ডিজিটাল মুদ্রা হবে বলে
ধারণা করা হচ্ছে।
তবে বিটকয়েন এখনো একটি
নির্ভরযোগ্য মুদ্রা হিসেবে প্রমাণিত হয়নি
বলে মনে করেন জাপানের অর্থমন্ত্রী
তারো আসো। তিনি বলেন, এ কারণে এর
ভবিষ্যৎ গতিবিধি লক্ষ করতে হবে। আগামী
বছর জি-২০ বৈঠকে ভার্চুয়াল মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ
ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেবে
ফ্রান্স। সাংবাদিকরা এ ব্যাপারে জানতে চাইলে
তারো বলেন, এখনো সুনির্দিষ্টভাবে ঠিক
হয়নি বিটকয়েন মুদ্রা না অন্য কিছু। এটি আসলে
জটিল একটি বিষয়। রয়টার্স, এএফপি, ব্লুমবার্গ।

শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ কি বদলে যাচ্ছে ?

ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ কি বদলে যাচ্ছে ?

ইন্টারনেট নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক
ওবামা ২০১৫ সালে যে আইনটি পাস করান, তা
বদলে যেতে পারে। এ জন্য দেশটির ফেডারেল
কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) গত
বৃহস্পতিবার একটি ভোটের আয়োজন করে।
কিন্তু ট্রাম্পের নিয়োগ করা এফসিসির
বর্তমান সভাপতি অজিত পাই আশা করছেন
ভোটের ফলাফল তাঁদের পক্ষেই যাবে। মূলত
এফসিসি চায় নতুন একটি আইন পাস করাতে।
বারাক ওবামার সময়ে পাস হওয়া আইন
অনুযায়ী, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী
প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো বিশেষ ওয়েবসাইট বা
অ্যাপের ইন্টারনেট গতি বেশি বা কমিয়ে
দিতে পারত না। মূলত ইন্টারনেট উন্মুক্ত এবং
ন্যায্য রাখার উদ্দেশ্যে এই আইন প্রণয়ন করা
হয়েছিল। আর সেই আইন বাতিল করতে উঠেপড়ে
লেগেছে এফসিসি। তাদের প্রস্তাবিত নতুন
আইনের আওতায় ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী
প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা
উঠিয়ে নেওয়া হবে।
অজিত পাই পূর্বের আইন প্রসঙ্গে বলেন,
বর্তমানে থাকা আইনটির মাধ্যমে ইন্টারনেট
সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর
অনেকটা অন্যায্য আইনই চাপিয়ে দেওয়া
হয়েছিল। প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের নিজস্ব
পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করার অধিকার
রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন আইনের
মাধ্যমে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর
থেকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া হবে।
এদিকে প্রস্তাবিত আইনটির পক্ষে ইতিমধ্যে
টুইটার, রেড্ডিট, কিকস্টার্টারসহ আরও অনেক
ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষই সাধুবাদ জানিয়েছে।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ জনগণ এই
আইনের বিরোধিতা করছেন। অনেকেই বিভিন্ন
ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের
সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও আন্দোলন
করেছেন। ইন্টারনেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন
আইনটি পাস হলে ইন্টারনেট দুনিয়া বেশ
বেপরোয়া হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। সেই
সঙ্গে ইন্টারনেটে কোন ধরনের তথ্য সরবারহ
করা হবে, তা-ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ার ঝুঁকি
রয়েছে।
শাওন খান , সূত্র: সিএনএন