রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২

শেখ হাসিনা সারা রাত জেগে থাকেন মানুষ যাতে ঘুমাতে পারে:কাদের

শেখ হাসিনা সারা রাত জেগে থাকেন মানুষ যাতে ঘুমাতে পারে:কাদের

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনা এখন সারা রাত জেগে থাকেন বাংলাদেশের মানুষ যাতে ঘুমাতে পারে। এই পর্যন্ত পরিস্থিতি তিনি সামাল দিয়ে যাচ্ছেন। এই পর্যন্ত করোনা ভাইরাস, বন্যা অতিক্রম করে; এই যুদ্ধের প্রভাব সেটাও তিনি মোকাবিলা করে যাচ্ছেন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে শনিবার (১৬ জুলাই) ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, খুব খারাপ সময়, খুব ঝুঁকিপূর্ণ সময়, এই সময়ে ঐক্যের বিকল্প নেই। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের কর্মীদের হুঁশিয়ার থাকতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা আজকে কত বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে কঠিন সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছেন, সারা বিশ্বে যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া, সারা বিশ্বেই সেই প্রতিক্রিয়ায় আজকে জ্বালানি তেলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। মুল্যবৃদ্ধি, ইনফ্লেশান; শ্রীলংকার কথা বাদ দিলাম, ইংল্যান্ড-আমেরিকাতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। বাংলাদেশকে এই কঠিন জমিনে অগ্রসর হতে হচ্ছে।


ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা এখন সারা রাত জেগে থাকেন বাংলাদেশের মানুষ যাতে ঘুমাতে পারে। এই পর্যন্ত তিনি সামাল দিয়ে যাচ্ছেন। এই পর্যন্ত করোনা ভাইরাস, বন্যা অতিক্রম করে; এই যুদ্ধের প্রভাব সেটাও তিনি মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। শক্ত করে ধরে আছেন। তাকে শক্তি দিতে হবে, শক্তি দিতে হবে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ থেকে। কথায় কথায় নিজেরা অন্তর্কলহে জড়াবেন না। খুব খারাপ সময়, খুব ঝুঁকিপূর্ণ সময়, এই সময়ে ঐক্যের বিকল্প নেই। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না।


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকের এই দিন শুধু শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস নয়, এই দিন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বন্দি দিবস। এই দিন শেখ হাসিনাকে বন্দি করে আমাদের বিকাশমান গণতন্ত্রকে বন্দি করা হয়েছিল। রাজনীতির অনেকেই জেলে গেছেন, আমাদের নেত্রী বন্দি হয়েছেন, ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। কিন্তু প্রথম বন্দি হন শেখ হাসিনা। তারা এসে বিরোধী দলকেই প্রথম বন্দি করে। বিরোধী দলের নেতা প্রথম বন্দি হন সরকারি দলের নেতা তখনও বন্দি হননি। কী দুর্ব্যবহার ড. ওয়াজেদের সঙ্গে, কী দুর্ব্যবহার ঢাকা কোর্টের সামনে। বঙ্গবন্ধুকন্যাকে সামান্যতম শ্রদ্ধা তারা দেখায়নি।


তিনি বলেন, সেদিন যদি এই দেশের রাজনৈতিকদের একটা অংশ ওই জরুরি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা না করতো। তাহলে বাংলাদেশে ওয়ান-ইলাভেন টিকতে পারতো না। এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হতো। অনেক রাজনীতিক সেদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাথে যোগসাজশ করে রাজনীতিকে মাইনাস ফর্মুলায় নিয়ে গেছেন। আজকে আমি বলবো, আমাদের শত্রু-মিত্র চিনতে হবে। চলার পথে শুত্রু-মিত্র চিনতে হবে। একবার যে বিশ্বাসঘাতক, বারে বারে সে বিশ্বাসঘাতক।


বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি বলে, আমাদের পতনের নাকি সাইরেন বাজে। কোথা থেকে শুনলেন সাইরেনটা? কোথায় শুনলেন? রাস্তায় যখন গাড়ি চলে ওই সাইরেন শুনেছেন? কী সাইরেন শুনেছেন? শুনবেন, শুনতে পাবেন আপনাদের বিদায়ের ঘণ্টার সাইরেন। নেতিবাচক রাজনীতি আপনাদের অপ্রাসঙ্গিক করে দিয়েছে, আপনাদেরই বিদায়ের ঘণ্টা বাঁজছে। খেলা হবে, খেলা হবে, রাজনীতির মাঠে খেলা হবে। নির্বাচনের মাঠে খেলা হবে। আসুন, খেলায় আসুন, নির্বাচন আর রাজনীতির মাঠে খেলায় আসুন। আগুন নিয়ে খেলবেন না, আমরা প্রতিহত করবো। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে সেই আগুনের খেলা প্রতিরোধ করবে।


আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্রাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। ১/১১ এর ষড়যন্ত্রকারীরা এখন সক্রিয়। বিদেশিদের সঙ্গে আঁতাত করছে। বিএনপি জানে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে পারবে না। তাই তারা সেই ষড়যন্ত্রের খেলায় মেতে উঠেছে। কোনো অবস্থাতেই এটা হতে দেওয়া হবে না। কোনো অনির্বাচিত সরকারকে আর আসতে দেওয়া হবে না।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, তাদের ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনও আছে। তারা আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা মানতে চায় না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন হবে, এ দেশ এগিয়ে যাবে। এই জন্য তাদের আওয়ামী লীগের প্রতি ভীতি আছে। আজ আমাদের অঙ্গীকার করতে হবে, যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার। তাদের ষড়যন্ত্রকে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে প্রতিহত করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজরুর রহমান প্রমুখ।

শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৮

আগে সমঝোতার চেষ্টা, নাহলে আন্দোলন

আগে সমঝোতার চেষ্টা, নাহলে আন্দোলন

এখনই রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত করতে রাজি নয়
বিএনপি। সরকারের সঙ্গে সমঝোতায়
উপনীত হওয়ার চেষ্টাই আপাতত চালিয়ে
যাবে দলটি।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা
মনে করেন, রাজনৈতিক সমঝোতার সুযোগ
এখনো আছে। সেই সুযোগ কাজে
লাগানোর চেষ্টা তাঁরা শেষ পর্যন্ত করে
যাবেন। এতে ব্যর্থ হলে তখনই কেবল
সর্বাত্মক আন্দোলনে নামবে বিএনপি।
দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে
কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনকালীন
‘সহায়ক সরকার’ বিএনপির দাবি হলেও এর
রূপরেখা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সমঝোতার
আশায়। ওই সহায়ক সরকারের রূপরেখার খসড়া
চূড়ান্ত করা হলেও বিএনপি এখনই তা
জনসমক্ষে উপস্থাপন করছে না। এ নিয়ে
রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ করছে দলটি। বিশেষ
করে আগে তারা সরকারের মনোভাব
বুঝে নিতে চায়। বিএনপি নেতারা মনে
করেন, সরকার এখন যত অনমনীয়
মনোভাবই স্পষ্ট করুক না কেন, শেষ
পর্যন্ত ন্যূনতম ছাড় দিয়ে হলেও
সমঝোতার একটি মনোভাব সরকারের
মধ্যে দেখা দেবে। তবে সম্ভাব্য ওই
পরিস্থিতির পরও সরকার কঠোর অবস্থানে
থাকলে তখনই কেবল ‘অল আউট’
আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড.
খন্দকার মোশাররফ হোসেন কালের
কণ্ঠকে বলেন, ‘সংলাপের মধ্য দিয়ে
বিএনপি সমঝোতায় যাওয়ার পক্ষপাতী। আমরা
মনে করি, এই সমঝোতার সুযোগ এখনো
আছে। কিন্তু সরকার শেষ পর্যন্ত কঠোর
অবস্থানে থাকলে তার অর্থ বিএনপিকে
আন্দোলনের দিকে ঠেলে দেওয়া।
তখন আমাদের আন্দোলনে যাওয়া ছাড়া আর
উপায় থাকবে না। ’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সুষ্ঠু
ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য বিএনপি
সমঝোতার পথেই যেতে চায়। আর এ
জন্য আমরা শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালাব। ’ তিনি
বলেন, সরকার আন্দোলনের পথে
ঠেলে দিলেই বিএনপি আন্দোলনে
যাবে। তাঁর মতে, সংঘাত বিএনপি তৈরি করবে না,
এটা নিশ্চিত। কিন্তু বিএনপিকে দুর্বল মনে করা
হলে ভুল হবে।
বিএনপি নেতারা মনে করেন, সরকারের
মনোভাব শেষ পর্যন্ত কঠোর বা
অনমনীয় থাকলে নির্বাচনকালীন সহায়ক
সরকারের প্রস্তাব দিয়েও কোনো লাভ
হবে না। তাঁদের মতে, ১৯৯৬ সালে
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান বড় দুই
দলের সমঝোতার মধ্য দিয়ে সংসদে পাস
হয়েছিল। ওই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে
অনানুষ্ঠানিক আলোচনার মধ্য দিয়ে পর্দার
আড়ালে কোনো সমঝোতা হয় কি না, তার
জন্য বিএনপি শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালাবে।
তবে ওই চেষ্টা ভেস্তে গেলে বিএনপি
এমন এক সময় সহায়ক সরকারের প্রস্তাব
জনগণের সামনে উপস্থাপন করবে, যাতে
সে ইস্যুতে আন্দোলন টেনে নেওয়া
যায় নির্বাচন পর্যন্ত।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ
না করার শর্তে বলেন, সহায়ক সরকারের
প্রস্তাব প্রস্তুত আছে। কিন্তু রাজনৈতিক
সমঝোতার বিষয়ে সরকারও একটি অংশ। ১৯৯৬
সালে বিএনপি রাজি হয়েছিল বলেই
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে বিল সংসদে পাস
হয়েছিল। ফলে এখনো সমঝোতা করেই
প্রস্তাব দেওয়া ভালো। ওই নেতা আরো
বলেন, বিএনপি প্রস্তাব দিল; কিন্তু সরকার মানল
না, এমন প্রস্তাব দিয়ে লাভ কী!
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান,
সহায়ক সরকারের প্রস্তাব উপযুক্ত সময়ে
দেওয়া হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
সহায়ক সরকারের প্রস্তাব সময়মতো দেওয়া
হবে। ওই প্রস্তাবে এমন কিছু থাকবে, যা
সরকারের জন্য মানা খুব কঠিন হবে না। এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী
লীগ যদি নির্বাচনকালীন সরকারের
কোনো প্রস্তাব দেয়, সেখানে কি
খালেদা জিয়াকে ওই সরকারের প্রধান
হিসেবে তারা মেনে নেবে? তেমনি
বিএনপিও শেখ হাসিনাকে মেনে নেবে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র
রায় বলেন, সহায়ক সরকারের প্রস্তাব
দেওয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ জড়িত।
এখনই দিলে গণমাধ্যমে কিছুদিন লেখালেখি
হবে, তারপর মানুষ ভুলে যাবে। ফলে
সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে
প্রস্তাব দেওয়া হবে। এ ছাড়া আন্দোলন
শেষ পর্যন্ত টেনে নেওয়ারও একটি বিষয়
আছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
সরকারের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক কোনো
আলাপ বা সমঝোতা হচ্ছে কি না, এ বিষয়ে
তাঁর কিছু জানা নেই।
দলের একাধিক সূত্রে জানা যায়, বিএনপি
নেতারা আপাতত দলের চেয়ারপারসন খালেদা
জিয়ার মামলার সম্ভাব্য রায় নিয়ে বেশি ব্যস্ত;
যদিও তাঁদের বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত খালেদা
জিয়ার সাজা হবে না। কিন্তু বিএনপি ও খালেদা
জিয়াকে চাপে রাখতেই মামলার কার্যক্রম
দ্রুততার সঙ্গে চলছে।
বিএনপির অনেক নেতা মনে করেন, সাজা
হলে একদিকে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা
বাড়বে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহলের
কাছে স্পষ্ট হবে যে একতরফা নির্বাচনের
জন্যই খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া
হয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত খালেদার
সাজা না-ও হতে পারে।
বিএনপি নেতারা আরো মনে করেন, বর্তমান
সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে যাতে বিএনপি
নির্বাচনে যায় সে লক্ষ্যে চাপ সৃষ্টি করা
যেমন সরকারের কৌশল, তেমনি নির্বাচন
সামনে রেখে বিএনপি যাতে নতুন কর্মকৌশল
প্রণয়ন তথা শক্তি সঞ্চয় না করতে পারে
সে জন্য দলটিকে ব্যতিব্যস্ত রাখাও
সরকারের আরেকটি কৌশল। কিন্তু নির্বাচনের
দিনক্ষণ ঘনিয়ে এলে সরকার আস্তে
আস্তে চাপের মুখে পড়বে। কারণ তখন
প্রশাসনে সরকারের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা দুর্বল
হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলের তত্পরতাও
বাড়বে। ওই অবস্থায় সহায়ক সরকারের ইস্যু
জনগণের সামনে আনতে চায় বিএনপি।
পাশাপাশি এ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের
সঙ্গে যোগাযোগও করতে চায় তারা। সব
দিক বিবেচনায় রেখে এখনই রাজনীতির মাঠ
উত্তপ্ত করতে রাজি নয় বিএনপি। বরং ইতিবাচক
পথে থেকে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখাই
এখন দলটির লক্ষ্য, যাতে নির্বাচন পর্যন্ত
দলকে গতিশীল রাখা যায়।
গত ২ জানুয়ারি ছাত্রদলের সমাবেশে খালেদা
জিয়া বলেছেন, ‘বিএনপিকে নির্বাচনের
বাইরে রাখা যাবে না, আমরা নির্বাচন করব। ’
বিএনপির অনেক নেতার মতে, ওই
বক্তব্যের মধ্যে নতুন তাত্পর্য রয়েছে।
খালেদা জিয়া নির্বাচনের পথে হাঁটছেন
বলে মনে করা হচ্ছে।

সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

ভোট পরীহ্মার মুখে নির্বাচন কমিশন

ভোট পরীহ্মার মুখে নির্বাচন কমিশন

'
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি)
অধীনে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রথম
গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে আগামী
২১ ডিসেম্বর। ওই দিন ভোট হবে রংপুর
সিটি করপোরেশনে।
এরপর ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহেই হতে
যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি
করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে
উপনির্বাচন। ডিএনসিসির মেয়র
আনিসুল হকের মৃত্যুতে পদ শূন্য হওয়ায়
ইসির রোডম্যাপের বাইরে ওই পদে
ভোটের আয়োজন করতে হচ্ছে। সেই
সঙ্গে ডিএনসিসি এবং ঢাকা দক্ষিণ
সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) সদ্য
যুক্ত হওয়া ১৮টি করে মোট ৩৬টি
ওয়ার্ডের সাধারণ ও নারীদের জন্য
সংরক্ষিত ১২টি আসনের ওয়ার্ড
কাউন্সিলর পদেও নির্বাচন অনুষ্ঠানে
প্রস্তুত ইসি। আগামী এপ্রিল-মে মাসে
রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের
নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে।
বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এই পাঁচ
সিটির নির্বাচন শেষ করতে চায় ইসি।
এরপর আসছে একাদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচন।
দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল
২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। ফলে ২০১৯
সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ
জাতীয় সংসদের নির্বাচন সম্পন্ন করার
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
কিছুটা সময় হাতে রেখে আগামী বছর
ডিসেম্বরের শেষ দিকে এ নির্বাচন
অনুষ্ঠানে আগ্রহী ইসি।
এর আগে নিয়মিত কাজ হিসেবে
ইসিকে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয়
সরকারের বিভিন্ন উপনির্বাচন এবং
স্থগিত থাকা নির্বাচনও করতে হবে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
আগে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন
নির্বাচনকে সরকার ও ইসির জন্য
পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন দেশের
অন্যতম বৃহৎ দল বিএনপির জ্যেষ্ঠ
নেতারা।
নির্বাচন বিশ্লেষকরাও বলছেন, ২০১৮
সাল ইসি, সরকার, আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন,
রাজনৈতিক দল—সবার জন্য একটি
পরীক্ষার বছর। একটি অবাধ,
অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতা
ও নিরপেক্ষতার ওপরই ভবিষ্যৎ নির্ভর
করছে। রংপুর সিটি করপোরেশন
নির্বাচন এবং নতুন বছরের শুরুর দিকে
ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচনের
মাধ্যমেই ইসি ও সরকারের
নিরপেক্ষতা যাচাই হতে পারে বলে
মনে করেন তাঁরা। তাঁদের মতে,
বিএনপিসহ সরকারের বাইরে থাকা
দলগুলো এসব নির্বাচন দেখেই পরের
নির্বাচনগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে
পারে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন
সরকারব্যবস্থা নিয়ে ক্ষমতাসীন ও
ক্ষমতার বাইরে থাকা দলগুলোর
পরস্পরবিরোধী অবস্থান এখনো বহাল।
তার পরও সে নির্বাচনের আগে সিটি
করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে সবার
অংগ্রহণের আগ্রহ ইতিবাচক বলেই
বিশিষ্টজনদের ধারণা।
সুশানের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড.
বদিউল আলম মজুমদার গতকাল রবিবার
কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘২০১৮ সাল হবে
নির্বাচনী বছর। এ বছরই আমাদের
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে
নেওয়ার জন্য সুযোগের বছর। সুষ্ঠু ও
গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান হচ্ছে
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। তবে
সেটিই যথেষ্ঠ নয়। এ বিষয়ে সরকার
তথা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,
প্রশাসন, রাজনৈতিক দল—সবার
দায়িত্বশীলতার মাধ্যমেই আমরা একটি
ভালো পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে
যেতে পারি। কিন্তু তা না হলে,
নির্বাচন একতরফা হলে, নির্বাচনে
জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না
ঘটলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
বাড়বে। তখন পরিস্থিতি কারো জন্যই
কল্যাণকর হবে না। ’
নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার
(জানিপপ) চেয়ারম্যান ও বেগম
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান
কলিমউল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন,
চলতি মাসে রংপুর সিটি নির্বাচন
হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
পরিবেশ কেমন হবে, তা আগাম
জানিয়ে দেবে সিটি নির্বাচনগুলো।
বলা যায়, এক বছর পর জাতীয় নির্বাচন
হবে। এই এক বছর হচ্ছে নির্বাচনী বছর।
নির্বাচনে এবার বিএনপি অংশ না
নিলে নির্বাচন কমিশনে দলটির
নিবন্ধন বাতিলের আশঙ্কা আছে।
কাজেই নির্বাচন নিয়ে বছরজুড়ে টান
টান অবস্থা থাকবে।
ক্ষমতাসীনরা যা বলছেন : ক্ষমতাসীন
দল আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয়
নেতাদের দাবি, সিটি নির্বাচনগুলো
অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। তাঁদের মতে,
নির্বাচনী আবহ শুরু হয়েছে। এ আবহ
উৎসবের। আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু
মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপির
উদ্দেশে বলেছেন, ‘প্রতিনিয়ত
নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে
আপনাদের রাজনৈতিক
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হচ্ছে। এসব
অবান্তর অভিযোগে নির্বাচন
প্রশ্নবিদ্ধ হবে না, বিএনপির সদিচ্ছা ও
বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ করা
বিএনপির পুরনো অভ্যাস। ভাঙা রেকর্ড
তারা নির্বাচন এলেই বাজায়।
রংপুরেও তারা তাদের সেই রেকর্ড
বাজাচ্ছে। তারা নির্বাচনে হেরে
যাওয়ার আগে একবার হারে, আবার
জেতার আগেও একবার হারে। ’ গতকাল
বিআরটিসির গাবতলী বাস ডিপোর
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি আরো
বলেন, চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ফলের
আগ পর্যন্ত অবিরাম অভিযোগ
করেছিল। গাজীপুর, কুমিল্লা ও
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন
নির্বাচন নিয়েও তারা একই অভিযোগ
করেছিল। নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য
নির্বাচন কমিশন স্বাধীন কর্তৃত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করবে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক কালের
কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি
করপোরেশনের নির্বাচন অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচনের প্রভাব
তৃণমূলেও পড়বে। জাতীয় নির্বাচনের
আগে দলের জন্যও এ নির্বাচন অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আনিসুল হককে ঢাকা
উত্তরের মেয়র প্রার্থী করে জয়ী
হয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর প্রয়াণে
উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা রক্ষায়
আমরা আবার যোগ্য প্রার্থী দেব। ’
আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক
অসীম কুমার উকিল বলেন, ‘এ মাস
থেকেই নির্বাচনমুখী হয়ে পড়ছে দেশ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
আগে রংপুর ছাড়াও বিভিন্ন সিটিতে
নির্বাচন হবে। ঢাকা উত্তর সিটি
করপোরেশনের নির্বাচনে আমরা এমন
প্রার্থী দেব, যাতে তাঁর মাধ্যমে
উন্নয়নের ধারাবাহিকতা থাকে। ’
বিএনপি নেতাদের বক্তব্য : রংপুর
সিটি নির্বাচন ও ডিএনসিসির
উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া
নির্বাচনী আমেজ সম্পর্কে বিএনপি
স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড.
খন্দকার মোশাররফ হোসেন কালের
কণ্ঠকে বলেন, আসলে এই নির্বাচনগুলো
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য
পরীক্ষা। কারণ একাদশ সংসদ নির্বাচন
সামনে রয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশন
কী আচরণ করে বা জনগণ নির্ভয়ে ভোট
দিতে পারে কি না, এটি এই নির্বাচনে
পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে। তিনি
আরো বলেন, সরকার ও নির্বাচন
কমিশনের এই ভূমিকা দেখার জন্যই
স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে
বিএনপি অংশ নিয়েছে। এক প্রশ্নের
জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস
করে যে এ দেশে আগামী যেকোনো
নির্বাচন ন্যূনতম সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে
বিএনপি জয়লাভ করবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর বলেন, গণতান্ত্রিকব্যবস্থা
অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিএনপি সিটি
করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয়
সরকার নির্বাচনগুলোতে অংশ নিচ্ছে।
কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, এরই
ধারাবাহিকতায় শর্তহীনভাবে বিএনপি
জাতীয় নির্বাচনে যাবে। জাতীয়
নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের
অধীনে হতে হবে। বিএনপির প্রত্যাশার
কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ইসি
নিরপেক্ষ থাকলে স্থানীয় সরকার
নির্বাচনগুলোতে বিএনপি অবশ্যই জয়ী
হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
এসব নির্বাচনে সরকার ও ইসির ভূমিকা
দৃশ্যমান হবে। জনগণ দেখতে পাবে
আগামী নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কি
না। নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নে
বিএনপিরও এতে সিদ্ধান্ত নিতে
সুবিধা হবে।
সিপিবি সভাপতির বক্তব্য :
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির
(সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম
সেলিম কালের কণ্ঠকে বলেন,
‘ডিএনসিসি নির্বাচনের তফসিল
ঘোষণা করার বার্তা পাওয়া গেছে।
নির্বাচন হবে ফেব্রুয়ারিতে। এ মাসেই
রংপুর সিটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
যথাসময়ে নির্বাচন হলেও অবাধ ও সুষ্ঠু
নির্বাচনের জন্য আমাদের দেওয়া
সুপারিশগুলো নির্বাচন কমিশন কানে
তুলছে না। নির্বাচনে প্রার্থী হতে
গেলে জামানত যা রাখতে হয়, তাতে
সাধারণ মানুষ প্রার্থী হওয়ার সুযোগ
থেকে শুরুতেই বঞ্চিত হয়। ’
ডিএনসিসির উপনির্বাচনে বাম দল
থেকে অভিন্ন প্রার্থী দেওয়া হবে
জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘বাম
দলগুলোর পক্ষ থেকে আমরা প্রার্থী
চূড়ান্ত করব। ’
এপ্রিল-মেতে যে পাঁচ সিটির ভোট :
একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে পাঁচ সিটির
ভোট। সংসদ নির্বাচনের আগে
জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের মাপকাঠি
হিসেবে এই পাঁচ সিটির নির্বাচনকে
চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেবে রাজনৈতিক
দলগুলো। ২০১৩ সালে রাজশাহী, খুলনা,
বরিশাল, সিলেট ও গাজীপুর—এই পাঁচ
সিটির সর্বশেষ নির্বাচনে জয়লাভ
করেছিলেন বিএনপির প্রার্থীরা।
ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন,
আগামী বছর এসএসসি ও এইচএসসি
পরীক্ষার পরপরই এপ্রিল-মে বা জুন
মাসে বাকি পাঁচ সিটি করপোরেশনে
নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা
রয়েছে ইসির।
আগামী বছরের মার্চ থেকে মধ্য
অক্টোবরের মধ্যে ওই পাঁচ সিটির
নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা
রয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের
বিধিমালা অনুযায়ী, রাজশাহী
সিটিতে আগামী বছরের ৯ এপ্রিল
থেকে ৫ অক্টোবর, খুলনায় ৩০ মার্চ
থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর, বরিশালে ২৭
এপ্রিল থেকে ২৩ অক্টোবর, সিলেটে
১৩ মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর এবং
গাজীপুরে ৮ মার্চ থেকে ৪
সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন
অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

তাদের জনগণ কখনোই ভোট দেবে না, শাজাহান

তাদের জনগণ কখনোই ভোট দেবে না, শাজাহান

জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদকে যারা লালন করে,
তাদের বাংলার জনগণ কখনোই ভোট দেবে না
বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী
শাজাহান খান। সেই সঙ্গে তিনি জানান,
একাদশ জাতীয় নির্বাচনের জন্য আওয়ামী
লীগ সব প্রস্তুতি নিয়েছে।
আজ রোববার সকালে মাদারীপুরে অফিসার্স
ক্লাবের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তুর উদ্বোধন
শেষে নৌমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে জনগণ আবারও
নৌকায় ভোট দেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,
দেশের জনগণ জানে, এই সন্ত্রাসী দল ক্ষমতায়
এলে তারা দেশটাকে লুটপাট করে ধ্বংস করে
দেবে। এ জন্য জনগণ তাদের ভোট দেবে না।
২০৪১ সালের মধ্যে শেখ হাসিনার সরকারের
হাত ধরে এই দেশ উন্নত বাংলাদেশ হবে বলেও
মন্তব্য করেন তিনি। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ
হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
শাজাহান খান আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে
প্রার্থীর যোগ্যতা, ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা,
রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলের প্রতি আনুগত্য,
জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা দেখে আওয়ামী লীগ
সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রার্থীকে মনোনয়ন
দেবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুরের জেলা
প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার
মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, এলজিইডির
নির্বাহী প্রকৌশলী মলয় কুমার চক্রবর্তী,
পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম
সাহা প্রমুখ।
ফেব্রুয়ারির শেষে ঢাকা উত্তরের মেয়র নির্বাচন

ফেব্রুয়ারির শেষে ঢাকা উত্তরের মেয়র নির্বাচন

আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ঢাকা
উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র
পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে নতুন
যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ড ও ছয়টি সংরক্ষিত
ওয়ার্ডে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনে (ডিএসসিসি) যুক্ত হওয়া নতুন
১৮টি ওয়ার্ড ও ছয়টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডেও
নির্বাচন হবে। জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে
এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আজ নির্বাচন কমিশনের সভায় এসব সিদ্ধান্ত
হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন
কমিশন সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব
হেলালুদ্দিন আহমদ এ কথা জানান।
হেলালুদ্দিন আহমদ জানান, নতুন যুক্ত হওয়া
ওয়ার্ডগুলোতে যাঁরা নির্বাচিত হবেন, তাঁদের
মেয়াদ হবে এই সিটি করপোরেশনে বাকি
মেয়াদ পর্যন্ত। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন
কমিশন আইনি দিক পর্যালোচনা করেছে। এই
নির্বাচন নিয়ে আইনি কোনো জটিলতা নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন,
আগামী ৩১ জানুয়ারি নতুন ভোটার তালিকা
প্রকাশ করা হবে। যাঁরা এবার ভোটার
হয়েছেন, তাঁরা নির্বাচনে ভোট দিতে
পারবেন, তবে প্রার্থী হতে পারবেন না।